Home » রাজনীতি (page 62)

রাজনীতি

জনদুর্ভোগই যখন রাজনীতির হাতিয়ার

ফারুক আহমেদ

dis 3প্রায় দুই মাস হতে চললো, টানা অবরোধ এবং ছুটির দিন বাদে লাগাতার হরতাল চলছে। জ্বলন্ত গাড়ি, পেট্রোল বোমার আগুনে ঝলসে যাওয়া, উপার্জনক্ষম স্বজন হারা মানুষের আর্ত চিৎকারও এখন সাধারণ। দায় নিচ্ছে না কেউ। কে দায় নেবে? মানুষ জীবন দিয়ে যা প্রত্যক্ষ করছে সেই সব বিভৎস দৃশ্যের রঙিন পোস্টারে ছেয়ে গেছে চারদিক। যেন কোন সিনেমার পোস্টার। সরকার যখন মানুষের জানমালের দায় না নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ, কষ্ট, আর্তনাদ, করুণ দৃশ্য প্রচার করে লাভবান হওয়ার আয়োজন করে তখন মানুষের সহায় বলে আর কিছুই থাকে না। সরকার যখন জনদুর্ভোগের কোন দায় নেয় না, তখন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিও দায় নেবে না এটাই স্বাভাবিক। বিস্তারিত »

বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়াহীন উদাসীন একটি জাতি

আবীর হাসান

dis 2বিস্ময়কর এক সহনশীল জাতির অভ্যুদয় ঘটেছে…’ কথাটা আমার নয়। চেক কবি মিবেশ্লাভ হেলুব আশির দশকে বলেছিলেন এই কথা কারণ, সেই সময় চেক আর স্লাভ জাতিগত দ্বন্দ্ব চরম রূপ নিয়েছিল তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ায়। একদিকে তখন সমাজতান্ত্রিক একনায়কতান্ত্রিক সরকার যেমন ছিল নির্বিকার, তেমনি সাধারণ মানুষের অধিকাংশই জাতিগত সহিংসতার বলি হওয়া সত্ত্বেও মূক বধিরের ভূমিকা নিয়েছিল। দীর্ঘ পনেরো বছরের দ্বন্দ্বের পর বিভক্ত হয়েছিল চেকোস্লোভাকিয়া।

বর্তমান বাংলাদেশের অবস্থাটা ঠিক ও রকম নয়। বিস্তারিত »

ক্ষমতায় টিকে থাকার শেষ পথ

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

dis 1অস্ট্রেলিয়ার সবুজ ঘাসে ছাওয়া উইকেটে দক্ষিন আফ্রিকা ও ভারতের খেলোয়াড়রা একেকটি দেবশিশুর হাত ধরে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলতে নামছিল দর্শকের চোখ জুড়িয়ে দিয়ে। সমস্ত পরিবেশটির মধ্যে অপার্থিব একধরনের স্নিগ্ধতা ছিল। দেবশিশুদের চোখেমুখে উচ্ছাস, অপার কৌতুহল, পৃথিবীর রাঙা প্রভাতের আগামী ভবিষ্যত। বাংলাদেশে এই দেবশিশুরা এখন পুড়ছে পেট্রোল বোমায়, জখম হচ্ছে ককটেলে। মরে যাচ্ছে নিষ্ঠুর নির্দয়তায়। থার্ড ডিগ্রী বার্ণ নিয়ে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে ভয়ংকর মৃত্যু যন্ত্রনায়। মা’র বুকফাটা কান্না, পিতার আর্তনাদ, স্বজনদের আহাজারি, মানুষের বেদনাকোন কিছুই স্পর্শ করছে না ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদদের। বিস্তারিত »

সত্যিকার পরিচয়ে নিহত হওয়ার গ্যারান্টি চাই

আমীর খসরু

coverআতঙ্ক অদৃশ্য শক্তিতে, আতঙ্ক দৃশ্যমাণ শক্তিতেও। মানুষ আতঙ্কিত। এই আতঙ্ক বাড়ছে, যতোদিন যাচ্ছে ততোই। পেট্রোল বোমার আতঙ্ক আছে, রয়েছে ককটেল আর বোমার আতঙ্ক, ভীতি আছে আগুনে পুড়ে আহত বা নিহত হওয়ার। তবে সবশেষ সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে নানা বাহিনী এবং মৃত্যুর কারিগরদের হাতে বেঘোরে জীবন দেয়ার। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের নানা শাখাউপশাখা বেরিয়েছে গুম, অপহরণের পরে সন্ত্রাসী, নাশকতাকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে, হয় চিরতরে নিখোঁজের তালিকায় নাম লেখানো অথবা কপাল যদি ভালো হয় তাহলে মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে যেখানেসেখানে। বিস্তারিত »

দেশটির ভাগ্য যখন বিদেশীদের হাতে

আমীর খসরু

last 1দেশের সার্বভৌমত্বস্বাধীনতার বিদ্যমান যে ধারণা অর্থাৎ একটি ভূখন্ড মানচিত্র, জনগোষ্ঠী আর রাষ্ট্র কাঠামো থাকলেই দেশটি সত্যিকার অর্থেই স্বাধীন ও সার্বভৌম তা সঠিক নয়। দেশটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম কিনা তা আসলে নির্ভর করে ওই দেশটি তার নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ অন্যান্য প্রশ্নে কতোটা স্বাধীন তার উপরে। যদি দেশটি নিজস্ব জনগোষ্ঠীর আশাআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ সামগ্রিক সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে গ্রহণে সক্ষম না হয় তাহলে দেশটি সত্যিকার অর্থে স্বাধীন এবং সার্বভৌম কিনা সে প্রশ্নটি এখন জরুরি। এই নিরিখে বিচারবিশ্লেষণ করলে আমাদের ভূখন্ডটির সত্যিকার চিত্র স্পষ্ট হয়ে যায়। বাংলাদেশ যে ওই প্রবণতার বাইরে নয় তাও সহজেই বোঝা যায়। বিস্তারিত »

জামায়াতের সাথে বিএনপি ঘনিষ্ঠতায় জনমনে উদ্বেগ এবং আ’লীগের ব্যাপারেও ইতিবাচক নয়

ভারতীয় থিঙ্ক ট্যাংকএর বিশ্লেষণ

জয়িতা ভট্টাচার্য

last 3ভারতের প্রভাবশালী থিঙ্ক ট্যাংক ‘অবজারভার রিচার্স গ্রুপ’ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে যে মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে এই মাসের প্রথম সপ্তাহে তা প্রকাশ করা হলো এই কারণে যে, এর মধ্যদিয়ে ওই দেশটির প্রভাবশালী মহলের মনোভাব কিছুটা হলেও বুঝতে সাহায্য করবে।

২০১৪ সালে তুলনামূলক স্থিতিশীল একটা বছর অতিক্রমের পর বাংলাদেশ আবার হরতালের রাজনীতি ফিরে এসেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুৎ করার লক্ষ্যে বিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ডাকা একের পর এক হরতালে দেশটি মাস খানেক ধরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ৬)

সানইয়াৎ সেন এবং প্রজাতন্ত্রের আবির্ভাব

আনু মুহাম্মদ

last 4চীনে সম্রাটের শাসন বা রাজতন্ত্রের ব্যবস্থা নানা আভ্যন্তরীণ সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উনিশ শতকে। আগের পর্বগুলোতে আমরা দেখেছি, একদিকে বিদেশি আগ্রাসন এবং অন্যদিকে আভ্যন্তরীণ জনবিদ্রোহ এই সংকট বৃদ্ধি করে এবং এর পতন অনিবার্য হয়ে পড়ে। অনেক ঘটনাবলী, লড়াই, রক্তপাতের পর বিশ শতকের শুরুতেই সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। চীন প্রবেশ করে প্রজাতন্ত্রের পর্বে। প্রজাতন্ত্র হিসেবে চীনকে পুনর্গঠন করা সহজসাধ্য বা শান্তিপূর্ণ ছিলো না। কিন্তু এই পর্ব ছিলো ভবিষ্যতের আরও বড় পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের প্রজাতন্ত্র হিসেবে আবির্ভাবের সঙ্গে যার নাম সবচাইতে বেশি শোনা যায় তিনি ডা. সান ইয়াৎ সেন (১২ নভেম্বর ১৮৬৬১২ মার্চ ১৯২৫)। চীনের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পথিকৃৎ হিসেবে তিনি স্বীকৃত। তাঁকে ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। বিস্তারিত »