Home » রাজনীতি (page 70)

রাজনীতি

রাজনৈতিক সঙ্কট :: মূল কারণ অন্যত্র

বিদ্যমান সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণ বিশ্লেষণ করেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক আফসান চৌধুরী।

. আকবর আলি খান

bisleson 1বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের পর্যালোচনা করতে হলে বাংলাদেশের সাম্প্রতিককালের ইতিহাস বিশ্লেষণ করতে হবে। এ দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা শুরু হয়েছে স্বাধীনতার পর থেকেই। এরপরে বঙ্গবন্ধু, মরহুম জিয়াউর রহমান এসব বড় বড় হত্যাকান্ড ঘটেছে এবং এই ঘটনাগুলো ঘটার ফলে দুই দলের মধ্যকার বিভক্তি প্রকট আকার ধারণ করেছে। রাজনীতির বিভক্তির প্রেক্ষাপটে দু’দলই ক্ষমতায় আসতে চায়। এই যে ক্ষমতার লড়াই এবং তিক্ততা মিলেই দ্বান্দ্বিক রাজনীতির সৃষ্টি হয়েছে।

১৯৯০ থেকে যে ধারা আমরা পেয়েছিলাম তাতে আবারও ব্যতিক্রম হয়েছে। আবার ’৯০এর আগের যে পরিস্থিতি সেখানেই আমরা ফিরে গেছি, অর্থাৎ যেখানে যেনতেন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মনে রাখতে হবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনই যথেষ্ট নয়। বিস্তারিত »

ফিরে আসুন ওই সর্বনাশা পথ থেকে

আমীর খসরু

coverতলানিতে গণতন্ত্রের যে অবশেষটুকুও বাকি ছিল তাও নানা চেষ্টাতদবির, ফন্দিফিকির করে বিদায় দেয়া হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। ওই সময়ও সরকারি উদ্যোগে রাজধানীকে পুরো দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার লক্ষ্যে সরকারি অবরোধও হয়েছিল। তাদের উদ্যোগেই সংঘাতসহিংসতাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বালুইট ভর্তি ট্রাক সংস্কৃতির সৃষ্টিও ওই সময়ে। ওই সব নজিরবিহীন ঘটনা এদেশের রাজনীতি ইতিহাসে নেতিবাচক এবং কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে আছে এবং থাকবে। কিন্তু এক বছর পরেও ওই নজিরবিহীন অবস্থাকে আরও নাজুক করে দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করার নামে রাজনীতির অধিকতর অধঃপতনের ঘটনা ইতিহাসে সংযোজিত হলো। বিস্তারিত »

সার্কের আড়ালে ভারতের বিদ্যুৎ আধিপত্য – দ্বিতীয় লক্ষ্য বাংলাদেশ (তৃতীয় পর্ব)

বি. ডি. রহমতউল্লাহ্

last 4চুক্তির বিশ্লেষণ : ভারত কর্তৃক ১৩২০ মেঃ ওয়াটের কয়লা দিয়ে চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মানের অসম চুক্তি প্রসঙ্গে। বি.এন.পি আমলে শেষ দিকে ২০০৬ সালে ভারত যখন বাংলাদেশের কয়লা ব্যবহার করে দিনাজপুরে ১ হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ও ঈশ্বরদীতে গ্যাস বা কয়লা দিয়ে ৫০০ মেঃ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থাপন করতে তৎকালীন বিএনপি সরকারের ভিতর ঘাপটি মেরে বসে থাকা একদল দেশপ্রেম বর্জিত রাজনৈতিক ও আমলার কারসাজিতে এক অসম চুক্তির মাধ্যমে প্রায় স্থাপন করতে যাচ্ছিল, তখন সম্ভবতঃ আর্র্থিক লাভালাভের স্বাথর্ দ্বন্ধে সরকারের অভ্যন্তরীণ অন্য কোন গ্রুপের আপত্তি ও একদল দেশ প্রেমিক কর্মকর্তার অনড় ভূমিকায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়নি। এখন প্রশ্ন আসে তাহলে অসম চুক্তি কেন করা হলো? বিস্তারিত »

গেলো বছরটিতে কেমন ছিলেন নারীরা?

খুজিস্তা নূর ই নাহরীন মুন্নি

dis 5বাংলাদেশে বাড়ছে যৌন সন্ত্রাস,বাড়ছে ধর্ষণ সেই সাথে বাড়ছে নারীর ক্ষমতায়ন। তাহলে নারীর ক্ষমতায়ন কি করে সম্ভব? তার অর্থ, যৌন সন্ত্রাস আর ধর্ষণ যে ভাবে বাড়ছে নারীর ক্ষমতায়ন সে ভাবে হচ্ছে না বা বাড়ছে না। কারণ নারীরা ক্ষমতায়িত হওয়ার সাথে সাথে যৌন সন্ত্রাস আর ধর্ষণের বিলুপ্ত হওয়ার কথা ছিল, নিদেন পক্ষে কমার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন যদিও আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী, সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং সংসদের বাইরে থাকা অপর এক বড় দলের নেত্রী তিন জনই নারী। কিন্তু বর্তমানে তিন জন গুরুত্বপূর্ণ নারী নেত্রীই ক্ষমতায় এসেছেন পুরুষতান্ত্রিকতার ধারাবাহিকতায় পরিবারতন্ত্রের হাত ধরে। দেশের শীর্ষপদে নারী থাকা মানেই নারীর অধিকার সমাজে নিশ্চিত হচ্ছে এমনটি ভাবার কোন অবকাশ নেই। বিস্তারিত »

২০১৪ :: দুর্নীতির দায়মুক্তির মিছিল

এম. জাকির হোসেন খান

dis 4আমরা লোক দেখানোর জন্য কোনো কাজ করছি না। কোনো অবস্থাতেই দুর্নীতিবাজদের ছাড় দেয়ার অবকাশ নেই। দুর্নীতিবাজরা যত শক্তিশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে দুদকের কার্যক্রম চলবে’। ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৭০জন মন্ত্রীপ্রতিমন্ত্রী এবং এমপির প্রকাশিত হলফনামায় অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশের পর কয়েক জনের সম্পদের অনুসন্ধান করলেও বাঁকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে দুদক সচিবের মন্তব্য এরকমই ছিল। বিস্তারিত »

বিএনপি :: অব্যাহতভাবে পিছু হাটা ও পিছু হটার বছর

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 3ভোটের রাজনীতিতে সফল ও প্রায় ৪০ শতাংশ জনসমর্থনপুষ্ট বিএনপি এই ডিসেম্বরের শেষে এসে আবার সেই সনাতনী ধারার হরতালের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করেছে। অথবা বলা উচিত, সরকার ও ক্ষমতাসীনরা আবার তাদেরকে গনবিচ্ছিন্ন হরতাল বা সহিংস আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য করেছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের ঘরমুখো নেতৃত্ব রণে ভঙ্গ দিয়েছে এবং ঘরে বসেই হরতাল কর্মসূচিতে তাদের প্রকট দুর্দশা দেখতে থাকবে, মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে কিংবা ‘টকশো’তে বুলি কপচিয়ে যাবে। রাজনৈতিক গবেষকদের কাছে আগামীতে এটি একটি আকর্ষণীয় গবেষণার বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে যে, অনেকগুলো ফ্যাক্টর এবং বিপুল জনসমর্থন পক্ষে থাকা সত্বেও একটি প্রধান রাজনৈতিক দল ময়দানে কেন মাজা সোজা করে দাঁড়াতে পারছে না? বিস্তারিত »

সুন্দরবন ধ্বংসের সমন্বিত উদ্যোগ কার স্বার্থে?

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

last 1জলে কুমীরসহ জলজ সকল প্রাণী আর ডাঙ্গার মানুষকেউই এখন আর নিরাপদ নয়। দক্ষিণ, দক্ষিণপশ্চিমের রক্ষাকবজ সুন্দরবনের ওপর ভর করা পরিবেশপ্রতিবেশ এবং প্রাণীকূলকে ধ্বংস করে ফেলার আয়োজন চলছে। দামামা বাজছে যেন, জলজ, বনজ, ডাঙ্গার কোন প্রাণী নিরাপদ থাকবে না। সুন্দরবন সন্নিহিত উপকূলবাসীর এখন প্রশ্ন একটাই সুন্দরবনকে ধ্বংস করার মত ঝুঁকি সরকার নিচ্ছে কেন? বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে একটি বিশ্ব ঐতিহ্য ও পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ কেন এভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান শুরু করার পরে পাথরঘাটায় জাহাজভাঙ্গা শিল্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন ধ্বংসের কফিনে একটির পরে একটি পেরেক ঠুকে দিচ্ছে। বিস্তারিত »