Home » রাজনীতি (page 80)

রাজনীতি

তারেক আসলে কার স্বার্থ দেখছেন

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

dis 1টেলিভিশনের পর্দায় দৃশ্যটি খানিক বিষ্ময়কর ঠেকেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরের বারান্দায় অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে আছেন বিএনপির এককালের দাপুটে প্রতিমন্ত্রী, দলের বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ ভুলু। তিনি পুলিশের কাছে এসেছেন একখানা দরখাস্ত নিয়ে, ৭ নভেম্বর উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি নিতে। টিভি ক্যামেরায় মাইকের সামনে ততোধিক অসহায় কন্ঠে ভুলু জানাচ্ছেন, ‘এক ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করেও কোন পুলিশ কর্মকর্তার দেখা তাঁরা পাননি’। ক্যামেরার সামনে দরখাস্ত খানাও উঁচিয়ে দেখালেন। প্রসঙ্গক্রমে খানিক গণতন্ত্রের মর্মবানীও শোনালেন এবং সরকারের সমালোচনাও। সমাবেশ করবেন, আন্দোলন করবেনসবকিছুতেই সরকারের অনুমতি লাগবে। বিস্তারিত »

ড. মিজানুর রহমানের জন্য সমবেদনা

আমীর খসরু

coverআমাদের দেশের অন্যতম বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে এখানে ঘরানা খোজা হয় পরিচয় এবং পরিচিতি হিসেবে। আর এর একটি তথাকথিত রাজনৈতিক বিভাজনও থাকে। মানুষটির সামগ্রিক গুণাগুণ ওই ঘরানার চাপে চাপাই পড়ে যায়। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানকে মোটামুটি সবাই আওয়ামী ঘরানার বলেই চেনেন এবং জানেন। মিজানুর রহমান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মাঝে মাঝেই যতোটা সরব হয়ে উঠেন, তার মূল প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ মানবাধিকার কমিশনকে সক্রিয় দেখা যায় না। এর কারণ অনুধাবন করা যায় অন্যান্য ‘স্বাধীন কমিশনের’ পরাধীনতা এবং আনুগত্যশীল দলদাসের ভূমিকা থেকে। এই অভিজ্ঞতায়ই স্পষ্ট হয়ে উঠে কেন মানবাধিকার কমিশনটি সক্রিয় হতে পারছে না বা পারবে না। তবে ড. মিজানুর রহমান মাঝে মধ্যে হুংকার দেন, শাসকদের সমালোচনা করেন যৌক্তিক কারণেই। বিস্তারিত »

হেমাঙ্গ বিশ্বাস ও গানের বাহিরানা (প্রথম পর্ব)

(গণমানুষের শিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের জানুয়ারিতে এবং মৃত্যু ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে। প্রখ্যাত এই গণসঙ্গীত শিল্পীর প্রতি আমাদের বুধবারএর শ্রদ্ধা।)

গুরু একজন নয়, গণসমষ্টি

আনু মুহাম্মদ

last 2হেমাঙ্গ বিশ্বাসের সঙ্গে পরিচয়ের আগেই তাঁর গানের সাথে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে, সেগুলো আমাদের সক্রিয়তার অংশই ছিল। তাঁর সঙ্গে কথা বলার এবং মুখোমুখি তাঁর কন্ঠে গান শোনার সুযোগ হয়েছিল ১৯৮১ সালে, যখন তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেইসময় অনেকগুলো কর্মসূচিতে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও দলসহ তাঁকে নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। তখন বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের যে গণনাট্যদল ছিল সেখানে প্রধানত হেমাঙ্গ বিশ্বাসের গানই গাওয়া হত। সেসময় আজফার আজিজ এবং কামরুদ্দীন আবসার এই গানগুলো আমাদের কৃষক, শ্রমিক ও সাংস্কৃতিক সমাবেশে গাইতেন। বিস্তারিত »

উত্তাল ষাটের দশক (দ্বাদশ পর্ব)

আইয়ুববিরোধী উত্তাল আন্দোলনের প্রথম পর্যায়

হায়দার আকবর খান রনো

last 3ষাটের দশকে এতো আন্দোলন সত্ত্বেও আইয়ুবের সিংহাসন টলানো যাবে না, এমন একটা ধারণাও তৈরি হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান তার শাসনের এক দশক পূর্তি বেশ আড়ম্বকর করে পালন করেছিলেন। পরের বছর নির্বাচন হওয়ার কথা। মৌলিক গণতন্ত্রীদের দ্বারা প্রেসিডেন্ট, জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন। তখন শেখ মুজিবুর রহমান ক্যান্টনমেন্টে বন্দী। অধিকাংশ আওয়ামী লীগ নেতা বন্দী। তারা নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী নন। মওলানা ভাসানী ও ন্যাপ (ভাসানী) নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু অপর ন্যাপ অর্থাৎ ন্যাপ (ওয়ালিমোজাফফর) নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মস্কোপন্থী কমিউনিস্ট পার্টি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পিকিংপন্থী কমিউনিস্ট পার্টি ও গ্রুপের সকলেই নির্বাচন বর্জন করার পক্ষে ছিলেন। বিস্তারিত »

৩ নভেম্বর :: অমর্ত্যলোকে যাত্রা

শারমিন আহমদ

ONE১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের শোকাবহ এই দিনটিতে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার অভ্যন্তরে, মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী, চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, .এইচ.এম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী নিহত হন। ব্যক্তিগতভাবে আমরা সবাই হারাই আমাদের প্রিয়জনকে এবং জাতি হারায় তার স্বর্ণ সন্তানদেরকে। নিম্নলিখিত অধ্যায়ে জেল হত্যাকান্ডের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটসহ সেই শোকেরই ব্যাক্তিগত কিছু স্মৃতিচারন তুলে ধরব।

আব্বুর অমর স্মৃতির প্রতি নিবেদিত তাজউদ্দীন আহমদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ শিক্ষা বিভাগে, ২০১১ সালে। বিস্তারিত »

প্রায় বিস্মৃত কিংবন্তীতুল্য একজন মুক্তিযোদ্ধার কথা

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

last 5(২৪ অক্টোবর ছিল দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চালের কিংবদন্তীতুল্য মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম খোকনের ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) কেন্দ্রীয় সহসভাপতি। মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের কর্তৃত্বের বাইরে কমিউনিষ্ট বিপ্লবীদের পূর্ববাংলা সমন্বয় কমিটির তৎকালীন আঞ্চলিক প্রধান রফিকুল ইসলাম খোকন বাগেরহাটের চিরুলিয়াবিষ্ণুপুর অঞ্চলের বিশালবিস্তীর্ন অঞ্চলে কয়েকটি দুর্ভেদ্য গেরিলা ঘাঁটি গড়ে তুলেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয় মাসই দুর্ধর্ষ এই গেরিলা বাহিনী ১৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা শত্রুমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে পাক হানাদারদের সাথে যুদ্ধে আহত হয়েছিলেন, হারিয়েছিলেন ডান পা। মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাম রাজনীতির সাথে যুক্ততা রক্ষী বাহিনীর হাতে তাঁর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। সত্তর দশকের শেষের দিকে সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে দিলেও বাম রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত ছিল। পরে জড়িয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাথে এবং কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ৮০র দশকের মধ্যভাগে শুরু করেন সাংবাদিকতা। প্রায় বিস্মৃত রফিকুল ইসলাম খোকনকে আমাদের শ্রদ্ধা।) বিস্তারিত »

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ‘শনি’ সংকট ও গ্রীড বিপর্যয়ের নেপথ্যে

বি.ডি. রহমতউল্লাহ্

dis 4গ্রীড ব্যবস্থা গত শনিবার বেলা প্রায় সাড়ে এগারটায় এক মহাবিপর্য্যয় ঘটিয়ে স্পষ্টতই জানান দিয়ে গেলো এ রাষ্ট্রে আমাদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতার মতো এদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও এক চরম নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় আছে। এ বিষয়ে সরকারে কোন রানেই। সরকার কিন্তু আশ্চর্য্যজনকভাবে নিজেরাই শুধু নীরব থাকেনি প্রথা অনুযায়ী যারা এ ঘটনা সম্পর্কে একটি প্রাথমিক বিবৃতি দেয়ার কথা ছিলো অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সরকার তাদেরকেও একদমচুপ থাকতে বলেছে। বিস্তারিত »