Home » রাজনীতি (page 9)

রাজনীতি

পাঁচ জানুয়ারি থেকে পাঁচ জানুয়ারি

হায়দার আকবর খান রনো

২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি। গত বছর বিএনপিকে কোন রকম সভা করতে দেয়া হয়নি। এমনকি খালেদা জিয়াও অবরুদ্ধ ছিলেন নিজ কার্যালয়ে। তার অফিসের সামনে বালুর ট্রাক দিয়ে রাস্তায় অবরোধ তৈরি করেছিল। কিন্তু জনৈক মন্ত্রী বলেছিলেন, ওটা নাকি বাড়ি মেরামতের জন্য আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন মিথ্যাচারে আমরা হতবাক হয়ে গিয়েছিলা। অবরুদ্ধ খালেদা জিয়ার অফিসে এক পর্যায়ে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেয়া হয়েছিল। পানি সরবরাহ পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং এটা করা হয়েছিল এক মন্ত্রীর জনসভায় প্রকাশ্য বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে, সরকারি সিদ্ধান্তেই। খালেদা জিয়ার ঘরে বিষাক্ত স্প্রে দেয়া হয়েছিল। এটাকে আর যাই হোক, সভ্য আচরণ বলা যায় না। বিস্তারিত »

মাত্র ২১ লাখের বেতন বৃদ্ধি :: সাধারণের উপরে কতোটা চাপ বাড়বে

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে প্রকাশিত

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

নতুন পেস্কেল বাস্তবায়নে বর্ধিত বেতনভাতার জন্য সরকারের বাড়তি খরচ হবে ২৩ হাজার ৮২৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তবে এ বছরই শুধু বর্ধিত বেতন দিতে হবে ১৫ হাজার ৯০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর বাজেটে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনভাতা খাতে অর্থ বরাদ্দ আগের বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি রাখা হয়। চলতি বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ কর্মকর্তাকর্মচারীদের বেতনভাতা পরিশোধের জন্য ২৮ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। আগামী বাজেটে ৫ শতাংশ বাড়লে এ খাতে বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩০ হাজার ১৪৪ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বরাদ্দের পরিমাণ থাকছে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৪০ শতাংশ। বিস্তারিত »

বিএনপির সংকট :: এখনো তারেকের অনভিজ্ঞ বিপজ্জনক সক্রিয়তা

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

রাজনীতি সবসময়ই কার্যকারন ও ফলাফলের মাধ্যমে প্রভাবিত, যা ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারন করে দেয়। যে কোন দেশে মূলধারার রাজনীতিকরা এটি অনুধাবন করে জনসমর্থনের ওপর ভিত্তি করে লক্ষ্যভেদী কৌশলগুলি নির্ধারন করেন এবং ভবিষ্যত রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নিজেদের পক্ষে প্রভাবিত করতে সক্ষম হন। এদেশে বরাবরই ক্ষমতাসীনদের কৌশল কর্তৃত্ব ও ক্ষমতানির্ভর। বিপরীতে ক্ষমতার বাইরের প্রধান দলগুলি নির্ভর করে জনপ্রিয় ইস্যু ও জনসমর্থনের ওপর। এক্ষেত্রে দলের মধ্যে বিরাজমান দোদুল্যমানতা, সন্দেহঅবিশ্বাস দুর্দিনের রাজনীতিতে সংকট আরো ঘনীভূত করে, দলকে নিয়ে যেতে পারে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের মুখে। ইতিহাসে, এই বাংলাদেশে এর অনেক উদাহরন রয়েছে। বিস্তারিত »

বিস্মৃতিপ্রবণ বাংলাদেশী

আমীর খসরু

বাংলাদেশের মানুষ খুব অল্পতেই অতীত ঘটনাবলী ভুলে যায়’ এ কথাটি আমার নয়। দুই হাজারের মাঝামাঝি সময়কালে ঢাকায় দায়িত্বপালনকারী পশ্চিমা দেশের একজন রাষ্ট্রদূত তার বিদায়ের প্রাক্কালে এই মন্তব্যটি করেছিলেন। আমি ওই রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম। সাক্ষাতকারে আনুষ্ঠানিকভাবে বেশ কিছু প্রশ্ন ছিল। ওই সাক্ষাতকার শেষে আন্তরিকভাবে তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম এ দেশ সম্পর্কে আসলে তিনি কি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, বিশেষ করে এখানকার সাধারণ মানুষ সম্পর্কে যা অন্য দেশ থেকে আলাদা। তিনি ওই দিন আমার ওই প্রশ্নের জবাবে তেমন কিছুই বললেন না, তবে উচ্চসিত প্রশংসা করলেন এ দেশের সাধারণ মানুষ সম্পর্কে, তাদের হৃদ্যতা এবং আতিথেয়তার কথা। বিস্তারিত »

পদ্মা সেতু এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশ্নবিদ্ধ ব্যয় উল্লম্ফন

এম. জাকির হোসেন খান

দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পদ্মা বহুমুখী সেতু বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের আহবানে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকসহ বহুপাক্ষিক অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সাড়া দিয়েছিল। প্রত্যাশা ছিলো ২০১১ সালে পদ্মা সেতু নির্মাণের মূল সেতুর কাজ ২০১৩ সালে কাজ শুরু হয়ে সার্বিকভাবে প্রকল্পের সকল কাজ ২০১৫ সালেই সমাপ্ত হবে। পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে প্রাধমিকভাবে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিলো প্রায় ৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যার মধ্যে মূলদাতা বিশ্ব ব্যাংক সহজ শর্তে (মাত্র ০.৭৫ শতাংশ হারে ১০ বছরে পরিশোধের ব্যবস্থায়) .২ বিলিয়ন ডলার ঋণ মঞ্জুর করে। ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রাকযোগ্যতা যাচাইয়ে জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে। বিস্তারিত »

তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক জীবন (পর্ব-৬)

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সংবেদনশীলতা, কর্তব্যজ্ঞান ও দায়িত্ববোধের কারণে তাজউদ্দীন আহমদের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার অনিবার্যতাটা বোঝা গেল, কিন্তু কোন ধরনের রাজনীতি তিনি করবেন তার মীমাংসাটি কীভাবে ঘটলো, সে জিজ্ঞাসাটা তো রয়েই যায়।

শুরুতে মুসলিম লীগের রাজনীতিতে ছিলেন, কিন্তু সেখানে যে থাকতে পারবেন না সেটা সাতচল্লিশের পরেই বুঝে ফেলেছেন। মুক্তি পরের কথা, পাকিস্তান স্বাধীনতাও আনেনি। কিন্তু যাবেন কোথায়? বিকল্প কোনো রাজনৈতিক সংগঠন তো গড়ে ওঠেনি। তাজউদ্দীন বড় বড় নেতাদের সবাইকেই চেনেন ও জানেন, তাঁদের জনসভায় তিনি যাচ্ছেন, এবং বক্তৃতা শুনছেন, তাঁর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরী হচ্ছে। সেগুলো লক্ষ্য করবার মতো। বিস্তারিত »

অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে ভীতি কেন

আমীর খসরু

আইন যেখানে শাসন করে না সেখানে কোন শাসন ব্যবস্থার অস্তিত্ব থাকে না এ্যারিস্টটল (পলিটিকস্ ৪:)

গণতন্ত্র কোনো খন্ডিত বিষয় নয়, এটি পুরোপুরিভাবেই একটি শাসন ব্যবস্থা। শুধুমাত্র একটি অংশ বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে গণতন্ত্র পুরোটা কায়েম হয়ে যাবে এমনটা কখনই হয় না। কিংবা মনের গভীরে স্বৈরতন্ত্র লালন করে উপরে উপরে গণতন্ত্র বলে জিকির করলেও গণতন্ত্র কায়েম হয়ে গেছে এমনটি মনে করারও কোনো যুক্তি গ্রাহ্য উপায় বা ক্ষেত্র নেই। শাসন ব্যবস্থায় জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে গেলে তাই গণতন্ত্রের সবটুকুই বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, শাসক শ্রেণী সব সময়ই সূক্ষ্মভাবে অথবা স্থূলভাবে, নানা কৌশলে গণতন্ত্র এবং নির্বাচনকে একাকার ও সমার্থক বানিয়ে ফেলেছে। নির্বাচন গণতন্ত্র বাস্তবায়নে প্রথম ধাপ মাত্র। বিস্তারিত »