Home » অর্থনীতি » ভ্যাটের থাবায় সাধারণ মানুষ

ভ্যাটের থাবায় সাধারণ মানুষ

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন::

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অধিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এবারের বাজেটে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি ও হার অনেক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। মোবাইল ফোন সেবার ওপর করহার বাড়ানো হয়েছে। প্যাকেজ ভ্যাট বহাল রাখা হলেও পরিমাণ বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য কেক, বিস্কুট, সিআর কয়েলসহ বিভিন্ন পণ্যের নির্ধারিত ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ‘বাড়তি’ কর আরোপ প্রস্তাব কার্যকর হলে পণ্য ও সেবার উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। ভোক্তাকে তখন বেশি দামে পণ্য কিনতে হবে, সেবা পেতে হবে। এতে তাদের ওপর ব্যাপক চাপ আসবে।

বর্তমানে ২২টি খাত সংকুচিত মূল্যভিত্তিতে বিশেষভাবে ভ্যাটে ছাড়ের সুবিধা পাচ্ছে। এর মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে আটটি খাতের বিশেষ কর সুবিধা উঠিয়ে বিদ্যমানের চেয়ে বর্ধিত হারে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী মোটরগাড়ির গ্যারেজের ভ্যাটহার সাড়ে ৭ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন। বর্ধিত হার কার্যকর হলে গাড়ির মালিককে মেরামতের পেছনে আরও বেশি বিল দিতে হবে। জাহাজ নির্মাণে ডকইয়ার্ডে ভ্যাটহার সাড়ে ৭ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

এতে জাহাজ নির্মাণের ব্যয় আরও বাড়বে। কনস্ট্রাকশন ফার্মের ভ্যাটহার সাড়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। বর্ধিত ভ্যাটহার কার্যকর হলে নির্মাণ খাতের ব্যয় বাড়বে। বর্তমানে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরিবহনে আড়াই শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ আছে। নতুন বাজেটে তা বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। এতে করে পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়বে। ইমিগ্রেশন উপদেষ্টা সেবার ওপর বর্তমানে সাড়ে ৭ শতাংশ হারে ভ্যাট রয়েছে। এই হার দ্বিগুণ করা হয়েছে। ফলে ইমিগ্রেশনের সেবার জন্য ভোক্তাকে বেশি টাকা খরচ করতে হবে। কোনো অনুষ্ঠানে স্পনরশিপ সেবার জন্য এখন সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা হয়। এ সেবার ওপর ভ্যাট দ্বিগুণ করায় স্পনরশিপ সেবার খরচ আরও বাড়বে।

বর্তমানে দেশীয় তৈরি বিস্কুট, কেক, বিভিন্ন ধরনের পেপার, পেপার প্রোডাক্ট, জিপি শিট, সিআই শিট, রঙিন শিটসহ বিভিন্ন ধরনের এমএস প্রোডাক্টের নির্ধারিত ট্যারিফ মূল্য ২০ শতাংশ আছে। নতুন বাজেটে তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। বর্ধিত হার কার্যকর হলে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সবচেয়ে বেশি ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে সিগারেট, জর্দা ও গুলে। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে বিড়ির। এতে করে ওই সব পণ্য আগের চেয়ে আরও বেশি দামে কিনতে হবে। গরিবের ব্যবহৃত হাওয়াই চপ্পলের ভ্যাট সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হার্ডবোর্ড, বৈদ্যুতিক জেনারেটর, সাধারণ জনগণের খাবার পাউরুটি, বনরুটি ইত্যাদি পণ্যের জন্য ভ্যাটে যে বিশেষ ছাড় আছে তা তুলে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাব কার্যকর হলে গরিবের ব্যবহৃত ওই সব পণ্যের দাম বাড়বে।

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অধিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এবারের বাজেটে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি ও হার অনেক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। মোবাইল ফোন সেবার ওপর করহার বাড়ানো হয়েছে। প্যাকেজ ভ্যাট বহাল রাখা হলেও পরিমাণ বিদ্যমানের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে কর আরোপ করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য কেক, বিস্কুট, সিআর কয়েলসহ বিভিন্ন পণ্যের নির্ধারিত ট্যারিফ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ‘বাড়তি’ কর আরোপ প্রস্তাব কার্যকর হলে পণ্য ও সেবার উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। ভোক্তাকে তখন বেশি দামে পণ্য কিনতে হবে, সেবা পেতে হবে। এতে করে তাদের ওপর ব্যাপক চাপ আসবে। বর্তমানে ২২টি খাত সংকুচিত মূল্যভিত্তিতে বিশেষভাবে ভ্যাটে ছাড়ের সুবিধা পাচ্ছে। এর মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে আটটি খাতের বিশেষ কর সুবিধা উঠিয়ে বিদ্যমানের চেয়ে বর্ধিত হারে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী মোটরগাড়ির গ্যারেজের ভ্যাটহার সাড়ে ৭ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন। বর্ধিত হার কার্যকর হলে গাড়ির মালিককে মেরামতের পেছনে আরও বেশি বিল দিতে হবে। জাহাজ নির্মাণে ডকইয়ার্ডে ভ্যাটহার সাড়ে ৭ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এতে করে জাহাজ নির্মাণের ব্যয় আরও বাড়বে। কনস্ট্রাকশন ফার্মের ভ্যাটহার সাড়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ করা হয়েছে। বর্ধিত ভ্যাটহার কার্যকর হলে নির্মাণ খাতের ব্যয় বাড়বে। বর্তমানে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরিবহনে আড়াই শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ আছে। নতুন বাজেটে তা বাড়িয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। এতে করে পেট্রোলিয়াম পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়বে। ইমিগ্রেশন উপদেষ্টা সেবার ওপর বর্তমানে সাড়ে ৭ শতাংশ হারে ভ্যাট রয়েছে। এই হার দ্বিগুণ করা হয়েছে। ফলে ইমিগ্রেশনের সেবার জন্য ভোক্তাকে বেশি টাকা খরচ করতে হবে। কোনো অনুষ্ঠানে সম্পরশিপ সেবার জন্য এখন সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আদায় করা হয়। এ সেবার ওপর ভ্যাট দ্বিগুণ করায় স্পনরশিপ সেবার খরচ আরও বাড়বে। বর্তমানে দেশীয় তৈরি বিস্কুট, কেক, বিভিন্ন ধরনের পেপার, পেপার প্রোডাক্ট, জিপি শিট, সিআই শিট, রঙিন শিটসহ বিভিন্ন ধরনের এমএস প্রোডাক্টের নির্ধারিত ট্যারিফ মূল্য ২০ শতাংশ আছে। নতুন বাজেটে তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। বর্ধিত হার কার্যকর হলে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সবচেয়ে বেশি ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে সিগারেট, জর্দা ও গুলে। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে বিড়ির। এতে করে ওই সব পণ্য আগের চেয়ে আরও বেশি দামে কিনতে হবে। গরিবের ব্যবহৃত হাওয়াই চপ্পলের ভ্যাট সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হার্ডবোর্ড, বৈদ্যুতিক জেনারেটর, সাধারণ জনগণের খাবার পাউরুটি, বনরুটি ইত্যাদি পণ্যের জন্য ভ্যাটে যে বিশেষ ছাড় আছে তা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাব কার্যকর হলে সাধারন মানুষের ব্যবহৃত ওই সব পণ্যের দাম বাড়বে।

সারাদেশের ছোট ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বছরে নির্ধারিত পরিমাণ ভ্যাট পরিশোধ করেন। নতুন বাজেটে এটি শতভাগ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্যাকেজ ভ্যাটের আওতায় বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ছোট ব্যবসায়ীরা বছরে ১৪ হাজার টাকা এককালীন ভ্যাট দেন। নতুন বাজেটে এটি বাড়িয়ে ২৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকার ছোট ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বছরে ১০ হাজার টাকা ভ্যাট দেন। তাদের দিতে হবে ২০ হাজার টাকা। জেলা শহরের জন্য এখন আছে ৭ হাজার ২০০ টাকা। তাদের দিতে হবে ১৪ হাজার টাকা। তৃণমূল পর্যায়ে দেশের অন্যান্য এলাকায় ভ্যাট আছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা। তাদের দিতে হবে ৭ হাজার টাকা। যোগাযোগ করা হলে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি এএসএম কিরন বলেন, প্যাকেজ ভ্যাট দ্বিগুণের প্রস্তাব কার্যকর হলে ব্যবসার খরচ বাড়বে। এতে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, যার বিরূপ প্রভাব পড়বে ভোক্তার ওপর।

ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি করদাতাদের দাবি ছিল করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করা এবং তা ছিল যৌক্তিক দাবি। কারণ নিম্ন-আয়ের মানুষের ওপরই করের আঘাত সরাসরি পড়ে। বাড়ি ভাড়ার খরচ ছাড়াও চারজনের একটি পরিবারে মাসে ২৫ হাজার টাকায় চলা অনেক কষ্টকর। তাই ন্যূনতম করমুক্ত সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা হওয়া উচিত ছিল, সেখানে সরকার করমুক্ত সীমা তো বৃদ্ধি করেনি উপরন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যমান বিনিয়োগসীমা (৩০ ভাগ থেকে কমিয়ে ২০ ভাগ করা হয়েছে) সংকুচিত করা হয়েছে। ফলে যারা কর দিচ্ছেন, তাদের একই আয়ে গতবারের চেয়ে বেশি কর দিতে হবে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে করে ব্যয়যোগ্য আয় কমে যাবে। এমনিতেই আমাদের দেশে করহার বেশি, তার ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপানো কতখানি যৌক্তিক হয়েছে, তা নিশ্চয়ই মন্ত্রী তা বিবেচনায় আনবেন। এ নতুন কর কাঠামোয় আরেকটি যে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে, তা হলো মানুষের সঞ্চয় কমে যাবে। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবেই হোক, মানুষ আয়কর ভার কিছুটা কমানোর জন্য হলেও সঞ্চয় করত। আমাদের দেশে এমনিতেই সঞ্চয় প্রবণতা কম। তার ওপর যদি সরকার এমনভাবে নিরুৎসাহিত করে তবে তা ভবিষ্যতে ভালো ফল বয়ে আনবে না। এ প্রবণতা ভবিষ্যতে বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের অভাব তৈরি করতে পারে।

আগামী রাজস্ব বাজেট প্রস্তাবে ১২০ টাকা মূল্য পর্যন্ত প্লাস্টিক ও রাবারের চপ্পল, জুতা-স্যান্ডেলের ওপর থেকে ভ্যাট অব্যাহতি বাতিল করা হয়েছে। এতে বড় বড় শপিং মলে যাওয়ার সক্ষমতা যাদের নেই, সেসব মানুষকে ফুটপাতের ছোট্ট দোকান থেকে এসব পণ্য কিনতে হবে বেশি দামে। শুধু জুতা-স্যান্ডেল নয়, আরো অনেক পণ্যে শুল্ক কর-ভ্যাট বসায় নিম্ন-আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে। বাড়তি ভ্যাটের আঘাত আসবে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্তের জীবনেও।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুল এখন পাড়া-মহল্লায়। জেলা পর্যায়েও কিন্ডারগার্টেন ছড়িয়ে পড়েছে। এসব স্কুলে বেতন বাড়ানোর অজুহাত তৈরি করে দিলেন অর্থমন্ত্রী। এসব স্কুলের বেশির ভাগ পাঠ্যবই ও ব্যবহার্য সামগ্রী আমদানি করা হয়। নতুন বাজেট প্রস্তাবে শিশুদের ছবি ও অঙ্কনের বিদেশি বই আমদানির শুল্ক ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

আমাদের দেশে বেসরকারি চিকিৎসা ব্যয় ক্ষেত্রবিশেষে এত বেশি যে অনেক সময়ই অর্থ সংকুলানে সাধারণ মানুষকে ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়। আসছে অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় আরো বাড়তে পারে। হাসপাতালের কিছু যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ধরা হয়েছে। এছাড়া ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম রেকর্ডিং পেপারের ওপর রাজস্ব আরোপ করা হয়েছে। মেডিটেশন সেবায়ও বাড়তি কর দিতে হবে।

বিদেশ ভ্রমণে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে অনেকে টিকিট কেনেন। এর জন্য যাত্রীর কাছ থেকে টিকিটের মূল্যের সঙ্গে সার্ভিস চার্জ আদায় করা হয়। আসছে অর্থবছরে  ট্রাভেল এজেন্সির ওপর নতুন কর বসানো হয়েছে। এতে বিদেশ যাত্রীদের বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। গাড়ি মেরামত, হোটেল ভাড়া, আইপিএস, ইউপিএসে এ রাজস্বের থাবা বসায় ভোক্তাকেই বাড়তি খরচ বহন করতে হবে। রড তৈরির কাঁচামাল বিলেট আমদানিতে শুল্ক বসছে। এতে নির্মাণ খাতের এ জরুরি পণ্যটির মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হলো।

দেশীয় মোটরসাইকেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব যন্ত্রপাতি ছাড়া অন্যান্য যন্ত্রাংশ আমদানিতে হ্রাসকৃত শুল্ক হারে রেয়াতি সুবিধা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত দেশেই উন্নতমানের মোটরসাইকেল তৈরির পথ উন্মুক্ত করবে। তবে এ খাতে সিকেডি মোটরসাইকেলের আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক হার আশংকাজনক হারে হ্রাস করে ৪৫ শতাংশ থেকে শর্তসাপেক্ষে আগামী দু’বছরের জন্য ২০ শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোটরসাইকেল উৎপাদনের ক্ষেত্রেও ভ্যাট অব্যাহতি প্রযোজ্য ছিল, যা উঠিয়ে নেয়ার প্রস্তাব করা হয়। দেশ এখন মোটরসাইকেল শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এ শিল্পকে সংরক্ষণ সুবিধা না দিয়ে উল্টো আমদানির পথ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ফলে আমদানিকৃত ও সংযোজনকৃত মোটরসাইকেলের বাজারমূল্য কমবে। আর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় মার খাবে।