Home » শিল্প-সংস্কৃতি (page 21)

শিল্প-সংস্কৃতি

স্বতন্ত্র ঋতুপর্ণ

বিধান রিবেরু

Rituparnoগল্প বলার আপনকার রীতি রপ্ত করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। বাজারি ছবি বানাবার রীতি অবশ্য তেমনটা রপ্ত করতে পারেন নাই তিনি। ৪৯ বছরের জীবনে তিনি চেষ্টা করেছেন জীবনঘনিষ্ঠ ও শৈল্পিক মানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে, মানবিক সম্পর্ক নিয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল বিস্তর। সেই সকল সম্পর্ক প্রেমবর্জিত নয়, আবার শুদ্ধ নরনারীই তাতে মূখ্য নয়, মানব জীবনে যতপ্রকার প্রেম ও অপ্রেমের সম্পর্ক হাজির থাকতে পারে, তার সবটাই যেন উল্টেপাল্টে দেখবার আগ্রহ জারি রেখেছিলেন ঋতু।

ঋতুর প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের নাম যদি নেই, তাহলে সেটি ‘উনিশে এপ্রিল’(১৯৯৪)। মা ও মেয়ের সম্পর্কই সেখানে প্রাধান্য পেয়েছে। পার্শ্ব সম্পর্ক হিসেবে উপস্থিত ছিলো নারী পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক। সরোজিনী জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী, তার মেয়ে অদিতি, বাবার অনুপ্রেরণায় চিকিৎসক হয়েছে। বিস্তারিত »

‘নিও-রিয়ালিজম’ – আসলে হয়েছিল অর্থের অভাব থেকে – চিত্রনাট্যকার সুশো সেশি দামিকো

ফ্লোরা সরকার

Suso Cecchi d'Amicoসুশো সেশি দামিকো, একজন নারী চিত্রনাট্যকার, যিনি তার কাজের জন্যে আজও স্মরণযোগ্য। সুশো দামিকোর জন্ম ১৯১৪ সালের ২১ জুলাই, ইতালির রোমে। মূলত ইতালির ছবির সঙ্গেই তার সংশ্লিষ্টতা ছিল। টু লিভ ইন পিস, দ্যা গার্ল ফ্রেন্ড, দ্যা স্কাই উইল ফল ছাড়াও প্রায় ১০০টি ছবির চিত্রনাট্য তিনি লিখেছেন। তবে যে ছবি দুটির জন্যে তিনি আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন তা হলো ভিক্টোরিও ডি সিকা’র ‘বাইসাইকেল থিভস’ (১৯৪৮) এবং লুচিনো ভিসকন্টি পরিচালিত ‘দ্যা লিওপাড’ (১৯৬৩)। ভিক্টোরিও ডি সিকা ছাড়াও ইতালির বিখ্যাত চিত্রনির্মাতা আ্যন্টোনিওনি, ফেদ্রিকো ফেলিনি ও অন্যান্য দিকপালের সঙ্গে কাজ করেছেন। ১৯৯৪ সালে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে তাকে পূর্ণ কর্মময় জীবন বা লাইফ টাইম এচিভমেন্টের জন্যে গোল্ডেন গ্লোব এ ভূষিত করা হয়। ৯৬ বছর বয়সে ২০১০ এর ৩১ জুলাই মহিয়সী এই চিত্রনাট্যকারের মৃত্যু ঘটে। ১৯৯৫ সালে মাইকেল কলভিল এন্ডারসান তার পঁচাশি বছর বয়সে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তার অনুদিত অংশবিশেষ এখানে উপস্থাপন করা হলো। এটি দুই কিস্তির শেষ পর্ব। বিস্তারিত »

টেলিভিশন মানুষের বুদ্ধিগত মানকে নামিয়ে দিয়েছে – চিত্রনাট্যকার সুশো সেশি দামিকো

ফ্লোরা সরকার

Suso Cecchi d'Amicoসুশো সেশি দামিকো, একজন নারী চিত্রনাট্যকার, যিনি তার কাজের জন্যে আজও স্মরণযোগ্য। সুশো দামিকোর জন্ম ১৯১৪ সালের ২১ জুলাই, ইতালির রোমে। মূলত ইতালির ছবির সঙ্গেই তার সংশ্লিষ্টতা ছিল। টু লিভ ইন পিস, দ্যা গার্ল ফ্রেন্ড, দ্যা স্কাই উইল ফল ছাড়াও প্রায় ১০০টি ছবির চিত্রনাট্য তিনি লিখেছেন। তবে যে ছবি দুটির জন্যে তিনি আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন তা হলো ভিক্টোরিও ডি সিকা’র ‘বাইসাইকেল থিভস’ (১৯৪৮) এবং লুচিনো ভিসকন্টি পরিচালিত ‘দ্যা লিওপাড’ (১৯৬৩)। ভিক্টোরিও ডি সিকা ছাড়াও ইতালির বিখ্যাত চিত্রনির্মাতা আ্যন্টোনিওনি, ফেদ্রিকো ফেলিনি ও অন্যান্য দিকপালের সঙ্গে কাজ করেছেন। ১৯৯৪ সালে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে তাকে পূর্ণ কর্মময় জীবন বা লাইফ টাইম এচিভমেন্টের জন্যে গোল্ডেন গ্লোব এ ভূষিত করা হয়। ৯৬ বছর বয়সে ২০১০ এর ৩১ জুলাই মহিয়সী এই চিত্রনাট্যকারের মৃত্যু ঘটে। ১৯৯৫ সালে মাইকেল কলভিল এন্ডারসান তার পঁচাশি বছর বয়সে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তার অনুদিত অংশবিশেষ এখানে উপস্থাপন করা হলো। এটি দুই কিস্তির প্রথম পর্ব। বিস্তারিত »

রাষ্ট্র কাঠামো এবং একজন দোদুল্যমান ‘ভুবন সোম’

ফ্লোরা সরকার

bhuban shome১৯৫৬ সালে ‘রাত ভোর’ এর মাধ্যমে যার ছবির ভুবনে যাত্রা শুরু হয়েছিল সেই মৃণাল সেন তার প্রথম ছবি নিয়ে ‘চিত্রবীক্ষণ’ এর এপ্রিলমে, ১৯৯৩ সংখ্যার এক সাক্ষাৎকারে বেশ চমকপ্রদ একটা কথা বলেছিলেন – “সত্যজিৎ রায় প্রথম ছবি করেই সমস্ত পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দিলেন আর আমার ছবি ঠিক তার বিপরীত। আমি নিজেই কেঁপে উঠলাম, বাইরের লোকের কাছে মুখ দেখাতে পারছিলাম না।” কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গেলো সবাইকে কাঁপিয়ে দিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান পদ্ম ভূষণ সহ প্রচুর দেশিবিদেশি চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে এসেছিলেন। গত ১৪ মে, ২০১৩ এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন একানব্বই বছরে পদর্পণ করলেন। তার জন্মদিনে জানাই আমাদের শুভেচ্ছা। বিস্তারিত »

‘জিরো ডার্ক থার্টি’ – একটি অর্ধ-সত্য কাহিনী

ফ্লোরা সরকার

zero-dark-thirty-2012-01জিরো ডার্ক থার্টি’ ছবির প্রথম দিকে নির্যাতন সেলে সিআইএ’এর একজন সদস্য ড্যান যখন আল কায়দা বাহিনীর একজন কয়েদী আম্মারকে একটা সন্ত্রাসী আক্রমণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে ‘রোববার’ ছাড়া কোন উত্তর পেলো না, তখন ড্যান তাকে বলে – ‘তুমি কি জানো আংশিক বা অসম্পূর্ণ উত্তর, মিথ্যা হিসেবে পরিগণিত হয়?’। এবং তারপরেই আম্মারকে আরও কঠিতর শাস্তি হিসেবে তাকে ছোট একটা বাক্সে, যেখানে কোন রকম নড়াচড়া করা যায়না, সেখানে ভরে রাখা হয়। অর্থাৎ, কোন প্রশ্নের আংশিক উত্তরের অর্থ একটি মিথ্যার সমান। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কি বলতে পারিনা যে, একটি ঐতিহাসিক ছবি নির্মাণের সময় যখন সেই ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর কিছু সত্য প্রকাশিত হয়, আর কিছু সত্য থাকে অপ্রকাশিত, তখন তা একই দোষে দুষ্ট হয়, অর্থাৎ তা মিথ্যা বলারই সামিল হয়? বিস্তারিত »

আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারজাত মৌলবাদের বিপদ – “নগুগি ওয়া থিয়াঙ্গো”

ফ্লোরা সরকার

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

Ng+®g-® wa Thiong'oশুধু সাম্রাজ্যবাদীর মুখোশ উন্মোচন নয়, নয়া উপনিবেশবাদী দেশগুলোর স্বৈরশাসকের মুখোশও উন্মোচিত হয় নগুগি ওয়া থিয়াঙ্গোর উপন্যাসে। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “উইজার্ড অফ দ্যা ক্রো”, যাকে সমালোচকরা চিহ্নিত করেছেন “অ্যান এপিক স্যাটায়ার অফ নিও কোলোনিয়ালিজম” নামে তা ঠিক তেমন ধাঁচেরই একটি উপন্যাস। ৭৬৬ পৃষ্ঠার বিশাল কাহিনীটি যাদু বাস্তবতার আদলে অত্যন্ত রসালোভাবে একজন নয়া উপনিবেশিক স্বৈরশাসক এবং তাকে বেষ্টন করে রাখা চাটুকার মন্ত্রী, অমাত্য আর উপদেষ্টাদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন তার কালজয়ী উপন্যাস। “যে বছর আবুরিরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক ঘোষণা করলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চতম টাওয়ার বানানোর পরিকল্পনা, কামিতি নামে এক হতভাগ্য যুবক জঞ্জালের স্তুপের উপর ঘুম থেকে সেদিন জেগে উঠে আবিষ্কার করলো, তার উপর যাদুশক্তি ভর করেছে” ঠিক এভাবেই উইজার্ড অফ দ্যা ক্রো উপন্যাসের শুরু। বিস্তারিত »

গল্পকারের গল্প – জঁ ক্লোদ কাগিয়ে (শেষ অংশ)

ফ্লোরা সরকার

film 111ছায়াছবি নির্মাণের শুরুতে প্রথম যে কাজটি করা হয় তা হলো একটি ভালো চিত্রনাট্য বাছাই করা। একটি ছবি তা যত চমৎকার হোক তার ভিত্তি দাঁড়িয়ে থাকে চিত্রনাট্যের ওপর। চিত্রনাট্য দাঁড়িয়ে থাকে গল্পের ওপর। দৃশ্যের পর দৃশ্য বা শটের পর শট গেঁথে তা যত নিপুণভাবে উপস্থাপন করা হোক না কেন তার গল্প যদি দর্শকহৃদয়কে স্পর্শ করতে না পারে তাহলে যে কোন ছবি ব্যর্থ হতে বাধ্য। আমরা আজ সেই ধরনের একজন গল্পকার চিত্রনাট্যকার জন জঁ ক্লোদ কাগিয়ে (১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩১-) কথাই বলবো। জন জঁ ক্লোদ কাগিয়ের সাক্ষাতকারের প্রথম অংশটি গত সংখ্যায় ছাপা হয়েছে। এবারে রয়েছে তার শেষ অংশ। বিস্তারিত »