Home » প্রচ্ছদ কথা (page 21)

প্রচ্ছদ কথা

ন্যায্য প্রতিবাদকে কেন ভয় ক্ষমতাসীনদের

আমীর খসরু

Coverছেলের সামনে মাকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের উপরে পুলিশের গুলিতে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিহত হয়েছেন চারজন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। স্থানীয় জনগণের এই প্রতিবাদবিক্ষোভ কোনো সরাসরি রাজনৈতিক কারণে না হলেও মানুষের মধ্যে জমে থাকা তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। বিক্ষোভকারীরা সরকার পতনের আন্দোলন করেনি, করেছেন অন্যায়ের প্রতিবাদ। ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে নিত্যদিনই। সুস্থ স্বাভাবিক সমাজ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী সাথে সাথে দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোর্পদ করতো। কিন্তু তা হয়নি বলেই মানুষ রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হয়েছে। বিস্তারিত »

গণপ্রতিনিধিত্বহীন সরকারের কর্মকাণ্ড : গ্যাস-বিদ্যুৎ-ভ্যাট

আমীর খসরু

Coverআনুষ্ঠানিক ভাবে কী কী প্রতিষ্ঠান আছে, শুধু তা দিয়ে গণতন্ত্রের মূল্যায়ন হয় না; ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর বহু মানুষের কণ্ঠস্বরগুলো শোনা যাচ্ছে কি না সেটাও দেখতে হবে’ অমর্ত্য সেন, দ্য আইডিয়া অফ জাস্টিস।

মাত্র কয়েকদিনেই সাধারণ মানুষের উপরে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে আরও একটি বিশাল বোঝা এবং সীমাহীন চাপ। এই বোঝা এবং চাপটি একেবারেই সাধারণ মানুষের দিনযাপন ও প্রাণ ধারণের পরিস্থিতিকে পুনরায় নাজুক করে দিয়েছে। বিস্তারিত »

ক্ষমতাসীনদের সব দায়ভার গিনিপিগ জনগণের

শাহাদত হেসেন বাচ্চু

এক.

Coverভূমধ্যসাগর তীরে পড়ে থাকা শিশু আয়লানের নিথর দেহ আরেকবার উন্মোচন করে দিয়েছে ধনবাদী বিশ্বব্যবস্থার কূৎসিৎ চেহারা, পাশাপাশি মেলে ধরেছে পৃথিবীতে মানবতাবাদীর সংখ্যাও নেহাৎ কম নয়। মৃত আয়লান উপড়ে নিয়েছে দেশকালের সীমানা, খুলে দিয়েছে বন্ধ দরোজা তার দেশের অসহায় আশ্রয় প্রার্থী হাজার হাজার শরণার্থীদের জন্য। এখন দেশছাড়া মানুষরা আশ্রয় পাবেন, তারা যেখানে পৌঁছতে চেয়েছিলেন, আপাত: স্বপ্নের দেশে। পেছনে রেখে যাচ্ছেন তাদের স্বজনদের সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, লেবানন, ইয়ামেনসহ রক্তপাতময় অনিরাপদ এক বিশ্বে, যা মূলত: বিশ্ব মোড়লদের ভাগাভাগির শিকার। বিস্তারিত »

অধ্যাপক রেহমান সোবহানেরই যখন এই অবস্থা

আমীর খসরু

Coverপ্রবীণ অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান তার নিজ নতুন বই ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস : মাই জার্নি টু বাংলাদেশএর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে শনিবার পাকিস্তানি সামরিক শাসন আমলে নিজের লেখালেখির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ওই সব দিনে ফিরে গেলে এটা ভাবি, কিভাবে এসব কথা সেদিন বলতাম। এসব কথা বলার সময় ডানবাম চিন্তা করতাম না। এসব বলতে পারতাম, কারণ এগুলো ছিল মনে কথা। কিন্তু এখন কোনো লেখা লিখতে গেলে এটি প্রকাশের আগে এক সপ্তাহ লেগে যায় এবং ৫ বার পড়তে হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের অন্য সবার মতো আমাকে আজকাল প্রতিটি শব্দ ব্যবহার নিয়ে ভাবতে হয়। বিস্তারিত »

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবী যে কারণে

আমীর খসরু

Coverবাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে সংবিধান প্রণেতারা সংবিধানে মানুষের বাকব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়গুলোসহ সামগ্রিক মৌলিক অধিকারের যতোটুকু সম্ভব তা সযত্নে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। আর তা করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মৌলচেতনাজাত গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। এই বিষয়গুলো সন্নিবেশিত করা হয়েছিল এই কারণে যে, সংবিধান প্রণেতারা ভেবেছিলেন দেশটি গণতান্ত্রিক ভাবধারায় পরিচালিত হবে। কিন্তু স্বল্পকালেই সে পথ থেকে তৎকালীন সরকার দূরে সরতে থাকে এবং স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই জরুরি অবস্থা জারির বিধানসহ কতিপয় নিবর্তনমূলক আইন প্রবর্তন (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩), বিশেষ ক্ষমতা আইন (ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) জারি করা হয়। বিস্তারিত »

ভীতির মধ্যে বসবাস

আমীর খসরু

Coverভুটানের তৎকালীন রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুক ১৯৭২ সালে ‘গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস’ (মোট দেশজ শান্তি ও আত্মতুষ্টি)-এর ধারণাটি প্রথম দিয়েছিলেন। তিনি এই ধারণাটি দিয়েছিলেন জনগণ কতোটা সুখ ও তুষ্টি নিয়ে বসবাস করছে এবং তারা কতোটা সন্তুষ্ট তা নির্ধারণের লক্ষ্যে। পরবর্তীকালে তার এই দর্শন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হয়েছে। ভুটানের রাজার দেয়া এই দর্শনের ভিত্তি হচ্ছে, টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন ও প্রসার। এসব ব্যবস্থাবলী গৃহীত হলে মানুষের মধ্যে শান্তি বিরাজিত থাকবে এমনটাই তিনি মনে করতেন। ভুটানের রাজার ওই দর্শনকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের একটি ইনডেক্স আছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের কোন কোন দেশের মানুষ কতোটুকু সুখ এবং শান্তিতে জীবনযাপন করছে তা ওই দেশের মানুষের সাথে কথা বলে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। বিস্তারিত »

বাধাবিঘ্নহীন ঘাতকেরা

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Coverকালজয়ী চীনা সাহিত্যিক ল্যু স্যুনের বিখ্যাত ছোট গল্প ‘ম্যাড ম্যানস ডায়েরি বা এক পাগলের ডায়েরি’ বিদগ্ধ পাঠকদের মনে দাগ কেটে থাকার কথা। গল্পের শেষে অন্যান্য সাধারন মেসেজটি ছিল ‘সেভ দ্য চিলড্রেন বা শিশুদের বাঁচাও’। স্মৃতি থেকে খানিকটা উদ্বৃত করছি, ‘ওগো, এখনও কিছু শিশু রয়েছে, তাদেরকে তোমরা বাঁচাও। নরখাদকদের হাত থেকে বাঁচতে দাও’। ল্যু স্যুন যে সময়ে এ গল্পটি লিখেছিলেন সে সময়ে চীনের রাষ্ট্রসমাজ নরখাদকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল এবং তথাকথিত এক পাগলের জবানীতে কালোত্তীর্ণ এই গল্পটি তিনি লিখেছিলেন। কিন্তু শিশু হন্তারক আমাদের এই রাষ্ট্রসমাজে এখন কোন সুনীতিসুবচন আর কাজে আসছে না। এক্ষেত্রে বীভৎসতার সবচেয়ে বড় রেকর্ডটি গড়েছে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ। বিস্তারিত »