Home » মতামত (page 4)

মতামত

তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক জীবন (পর্ব – ১)

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

Last-2তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক সাফল্য ও অবদান সম্পর্কে আমরা সবাই অবহিত। প্রশ্ন থাকে দুটি। প্রথমটি, কেন তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হলেন এবং দ্বিতীয়টি, কোন ধরনের রাজনীতিতে তার আগ্রহ ছিল। রাজনীতিতে তার যুক্ত হওয়ার একাধিক কারণ আছে একটি বাইরের, অনেক ক’টি ভেতরের। বাইরের কারণটি মানুষটির ভেতরের গুণগুলোকে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং রাজনীতিতে যোগদান অপরিহার্য করে তুলেছে। কেবল যোগদান তো নয়, রাজনীতিই ছিল তার জীবনের মূল প্রবাহ।

বাইরের কারণটিকে বলা যেতে পারে যুগের হাওয়া, আর তার আত্মগত গুণগুলোর ভেতর প্রধান ছিল সংবেদনশীলতা এবং কর্তব্যজ্ঞান ও দায়িত্ববোধ। তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম ১৯২৫ সালে, কিশোর বয়সেই তিনি চতুর্দিকে রাজনৈতিক তৎপরতা দেখেছেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন তখন জোরেশোরে চলছিল এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমাগত তীব্র হচ্ছিল। যুগের ওই হাওয়াতে তাজউদ্দীনের সংবেদনশীলতা এবং ভেতরের কর্তব্যজ্ঞান ও দায়িত্ববোধ সাড়া দিয়েছে। যার ফলে তিনি কৈশোরেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। বিস্তারিত »

প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৮৫৭ :: পুনঃঅনুসন্ধান (প্রথম পর্ব)

হায়দার আকবর খান রনো

Last-3পুরনো ঢাকার নবাবপুর রোডের শেষ মাথায় বায়ে ঘুরলে লক্ষ্মীবাজার, সোজা গেলে বাংলা বাজার, সেখানে স্বল্প পরিসর যে জায়গাটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত, তা ১৫৮ বছরের স্মৃতি বহন করে চলেছে। বৃটিশ রাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহী সিপাহীদের ওখানে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। আগে ওই পার্কটির নাম ছিল ভিক্টোরিয়া পার্ক, বৃটেনের রাণীর নামানুসারে। বৃটিশ শাসকরা ওই নাম দিয়েছিল। পরে নাম বদলিয়ে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক, শেষ মোগল সম্রাটের নামানুসারে, যাকে বিপ্লবী সিপাহীরা সারা ভারতের সম্রাট ঘোষণা করেছিলেন। নতুন নামকরণটি তাই যথাযথ হয়েছিল। বিস্তারিত »

ক্ষমতাসীনদের তাৎক্ষণিক অপরাধী চিহ্নিতকরণে পার পেয়ে যাচ্ছে আসল অপরাধীরা :: শাহদীন মালিক

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

Dis-1এই বছরেই চার জন ব্লগার হত্যাকাণ্ড, দু’জন বিদেশীকে গুলি করে হত্যা এবং সবশেষ শুক্রবার দিবাগত রাতে শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিলে বোমা বিস্ফোরণসহ অনেক ঘটনায় এটা লক্ষ্য করা গেছে যে, তদন্ত কাজ সমাপ্ত হওয়া বা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের আগেই ঊর্ধ্বতন মহল থেকে আগাম ঢালাও মন্তব্য করা হচ্ছে এই বলে যে, ঘটনা কারা ঘটিয়েছে বা ঘটনার পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কি? এতে কি তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্ত হওয়া বা বিশ্বাসযোগ্যতা হারানোসহ পুরো আইনগত প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয় কি না এবং এর ফলে প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কতোটা বেড়ে যায়? এসব প্রশ্নে ভয়েস অফ আমেরিকার জন্য বিশ্লেষণ করেছেন বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞ এবং সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। সাক্ষাতকার ভিত্তিক এই প্রতিবেদনটি ২৪ অক্টোবর প্রচারিত হয়। বিস্তারিত »

ভারত সরকারকে ইরোম শর্মিলা

চরম দমনপীড়নকারী আইন বদলান’

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

Last 3অনড় তিনি। ‘আয়রন লেডি’ ভেঙ্গে পড়বেন না। বরং আরো জোরালোভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। যারা তাকে ভাঙ্গার চেষ্টা করছে, তিনিই তাদের গুঁড়িয়ে দেওয়ার সংগ্রাম করছেন। যে কানুনের দোহাই দিয়ে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সেই নিয়ম দিয়েই তিনি সেটা কাটাবার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার সেই অবস্থান সম্প্রতি আবারো দেখা গেল দিল্লির একটা আদালতে। যে বিতর্কিত আর্মড ফোর্সেস (স্পেশাল পাওয়ার্স) অ্যাক্ট (এএফএসপিএ) বাতিলের জন্য তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন, দিল্লির আদালতে উপস্থিত হয়ে সেই দাবি আবারো উপস্থাপন করলেন তিনি। বিস্তারিত »

শিক্ষা ও শ্রেণী সম্পর্ক (পঞ্চম পর্ব)

ইংলিশ মিডিয়াম থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা

হায়দার আকবর খান রনো

Last 5এমন আদর্শ শিক্ষা ব্যবস্থার ঠিক বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যদিও জনগণকে ধোকা দেবার জন্য সংবিধানে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসাবে সমাজতন্ত্রের উল্লেখ আছে। আসলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই প্রকটভাবে শ্রেণী বৈষম্যের দিকটি প্রতিফলিত। উপরন্তু এই শিক্ষা সম্পূর্ণরূপে আদর্শহীন, পশ্চাৎমুখী ও প্রতিক্রিয়াশীল। শিক্ষা এখন জ্ঞান চর্চার বিষয় নয়। এটি হচ্ছে এখন পণ্য মাত্র, বাণিজ্যিক বস্তু (Product)। ১৯৯০ সালে এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য যে দশ দফা দাবী পেশ করেছিল তাতে নিম্নোক্ত দাবীটিও ছিল।

শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারী, বেসরকারী, ব্যক্তিমালিকানাধীন, গ্রাম শহরসহ সকল বৈষম্য (ক্যাডেট কলেজ, কিন্ডার গার্টেন, রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল, প্রি ক্যাডেট, টিউটোরিয়াল হোম, মাদ্রাসা ইত্যাদি) দূর করে সারা দেশে অভিন্ন পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচীর ভিত্তিতে একই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা (One Channel of Education) চালু করতে হবে।” বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২৯)

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ১৬ দফা কর্মসূচি

আনু মুহাম্মদ

Last 3১৯৬৬ সালের ৮ আগষ্ট সাংস্কৃতিক বিপ্লব সম্পর্কে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা গ্রহণ করে যা ১২ আগষ্ট পিকিং রিভিউএ প্রকাশিত হয়। এর শিরোনাম ছিলো ‘মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লব সম্পর্কে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত’। সাধারণভাবে ‘১৬ দফা’ নামে পরিচিত এই সিদ্ধান্তই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে ধরা হয়। এর ১ম দফা ‘সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের একটি নতুন পর্যায়’, ও ২য় দফায় ‘বর্তমান প্রবণতা এবং এর ওঠানামা’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কারণ, এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য, নেতৃত্ব দানকারী বিভিন্ন অংশ, প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ৩য় দফায় সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সাফল্যের জন্য পার্টি নেতৃত্বের দৃঢ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। ৪র্থ ধারায় জোর দিয়ে বলা হয়, ‘এই আন্দোলনে জনগণকে নিজেরাই নিজেদেরকে শিক্ষিত করতে হবে। যদি ভুল বা বিশৃঙ্খলা হয় তবুও জনগণের নিজেদের চিন্তাশক্তির ওপর ভরসা করতে হবে।’ বিস্তারিত »

বিশ্বশান্তির জন্য সবচেয়ে মারাত্মক হুমকি কে? (শেষ পর্ব)

দুর্বৃত্ত রাষ্ট্রগুলো

নোয়াম চমস্কি

অনুবাদ : আসিফ হাসান

Last 5এটা যোগ করা যথাযথই হবে যে, এই ধারায় বিরতিও রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ইরানের প্রধান দুই শত্রু সাদ্দাম হোসেন ও তালেবানকে ধ্বংস করার মাধ্যমে দেশটিকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপহারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিনি এমনকি মার্কিন পরাজয়ের পর ইরানের ইরাকি শত্রুকে তাদের প্রভাবে দিয়ে দিয়েছেন। এই পরাজয় এতটাই মারাত্মক ছিল যে, ওয়াশিংটনকে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি (‘টেকসই ক্যাম্প’) প্রতিষ্ঠা এবং ইরাকের বিশাল তেল সম্পদে মার্কিন করপোরেশনগুলোর সুবিধাজনক প্রবেশাধিকার লাভের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত লক্ষ্যও বাতিল করতে হয়েছে। বিস্তারিত »